Logo
শিরোনাম:
ত্যাগী-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবেন দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা: কফিল উদ্দিন আহম্মেদ জ্বালানি তেল সংকট ও ডলার ক্রাইসিসে কাঁপছে পোশাক শিল্প: দ্রুত নীতি সহায়তা চান ডিবিসি’র পরিচালক ও স্টাইলিশ গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী পরিচ্ছন্ন ৫০ নং ওয়ার্ড বিনির্মাণের অঙ্গীকার আব্দুস সালাম তরুণদের নিয়ে স্মার্ট ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়ে এস,আই টুটুল গাজীপুরে তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগ: সিটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রফিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ১১ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে সেলিম হোসেন মন্ডল, সকলের দোয়া প্রত্যাশী। গাজীপুরের৩৬নং ওয়ার্ডের পলাসোনায় ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়। জয়নুল আবেদীন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। গাজীপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট দিলারা সুলতানা সেতু। যোগীতলা মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথি আব্দুল হালিম মোল্লা।

অবশেষে স্থগিত রাজাকারের তালিকা

তুমুল বিতর্কের মুখে অবশেষে ৩ দিনের মাথায় রাজাকারের তালিকা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে নির্ভুল তালিকা প্রকাশ করা হবে। বুধবার বিকালে এই তালিকা স্থগিতের কথা নিশ্চিত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

এদিকে মহান বিজয় দিবসের আগের দিন ১৫ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি জানিয়েছিলেন এটি কোনও নতুন তালিকা নয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তালিকাই প্রকাশ করা হলো।

এই তালিকায় অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সারাদেশে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সমালোচনা তুমুল বিতর্কের মধ্যে বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তিনি তালিকাটি যাচাই বাছাই করতে বলেন। পরে মন্ত্রণালয় তালিকাটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। বিকালে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে তালিকাটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এর আগে বিতর্কিত রাজাকারের তালিকা নিয়ে বাগযুদ্ধে মেতেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী তালিকা চেয়েছেন, আমরা দিয়েছি। কিন্তু তা প্রকাশ করবেন কিনা তা আমাদের বলেননি। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের দাবি ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পেনড্রাইভ করে যে তালিকা আমাদের নিকট দিয়েছে তা পরিবর্তন না করে আমরা হুবহু সেটি প্রকাশ করেছি।’

বুধবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও স্বাধীনতা বিরোধীদের’ নামের তালিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, ‘দালাল আইনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের নামের তালিকা আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। তবে এসব মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন তাদের নামের তালিকাও নোট হিসেবে সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। মন্ত্রী তালিকা চেয়েছেন, আমরা দিয়েছি। কিন্তু তা প্রকাশ করবেন কিনা তা আমাদের বলেননি।

ঠিকমতো যাচাইবাছাই না করেই এই তালিকা প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ কিনা, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘তা আমি বলবো না। আমি বিশ্বাস করি তিনি হয়তো ভালো কিছু করার জন্যই এই তালিকাটি চেয়েছিলেন।’

এই তালিকা করার মুক্তিদুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেটা কোথায় খরচ হয়েছে- প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কারণ তিনি একজন সিনিয়র মন্ত্রী।’

এই ধরনের বিতর্কিত তালিকা তৈরি করা ‘সাবোট্যাজ’ কিনা, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা খতিয়ে দেখা হবে। আমার মন্ত্রণালয় যে কাজ করেছে, তাতে ভুল হতে পারে। তবে এ ধরনের একটি বড় কাজে সেই ভুল কতখানি সহনীয় তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে।’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমি মৌমাছির চাকে ঢিল মেরেছি। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পেনড্রাইভ করে যে তালিকা আমাদের নিকট দিয়েছে তা পরিবর্তন না করে আমরা হুবহু সেটি প্রকাশ করেছি। এতে কিছু ভুল ধরা পরেছে। সেটা আমার নিজ উদ্যোগে সংশোধন করে প্রকাশ করব’।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, বলেন, এই রাজাকারদের তালিকা বিএনপি ২০০৪ সালেও করে গিয়েছিল। বিএনপি যত হুংকার দিক, রাজাকারদের তালিকা তৈরি হবেই। সামনে ৬৪ জেলা ও সকল উপজেলা পর্যায়ে রাজাকারদের তালিকা করা হবে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ১৪ হাজার বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। আর স্বাধীনতার ৫০ তম বর্ষ উপলক্ষে আরও ১৫ হাজার বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আগামী বছর থেকে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে, এতে গরিব অসহায় মানুষ বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবে।

অবশেষে বিতর্কিত এই তালিকা স্থগিত করা হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost